মায়ানমারের সাথে যুদ্ধ নিয়ে
অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বিএনপির অফিশিয়াল পেইজ থেকে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসার সুযোগ করে দিয়েছে জিয়াউর রহমান আর তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে খালেদা জিয়া মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা প্রথম আসে ১৯৭৮ সালে। সেই সময় বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জিয়াউর রহমান। সেই সময় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কোন উদ্যোগই গ্রহণ করেননি জিয়াউর রহমান। বরং তখন তাদের পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেয়া হয়। একই ঘটনা এরশাদের আমলেও ঘটেছে।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের শাসনামলে ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গাদের আবারও ব্যাপক হারে আগমন ঘটে।বিএনপির শাসনামলে ১৯৯৫ সাল থেকে মিয়ানমার সরকার বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন বন্ধ করে দেয়। সেই সময় বিএনপি সরকার মিয়ানমারের বিরুদ্ধে একটি শব্দও করেনি। ফলে সে সময়ই বাংলাদেশে আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় চার লাখেরও বেশি।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসে বিয়ে, নাগরিকত্বসহ নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, বরং তারা বিভিন্ন ক্যাম্পে জঙ্গী প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করে।

একটি উদাহারণ তুলে ধরলে পুরো পরিষ্কার হবে আপনাদের, ২০০৪ সালের ২১শে গ্রেনেড হামলার প্রধান আসামি হুজি নেতা মুফতি হান্নান, হামলায় অংশ নেয়া আবু জান্দাল, ভারতের তিহার জেলে বন্দী দুই সহোদর জঙ্গী মুরসালিন ও মুত্তাকিনকে আগ্নেয়াস্ত্রের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন সেলিম উল্লাহ।

কে এই সেলিম উল্লাহ? বিএনপির শাসনামলে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের প্রধান ছিলেন এই সেলিম উল্লাহ এবং এই সেলিম উল্লাহ বিয়ে করেছে কক্সবাজার এলাকার জামায়াত নেতা শাসজালালের বোনকে।