কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের শিবিরের সভাপতি শাকির বিন ওয়ালীর নেতৃত্বে জঙ্গি নেটওয়ার্ক আনসার আল ইসলাম (সাবেক আনসারউল্লাহ বাংলা টিম) এর তথ্য পেয়েছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। সম্প্রতি কুমিল্লা ৭ তরুনের হিজরতের ঘটনার পর পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

কুমিল্লার ইস্পাহানি স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আবরারুল ইসলামকে গ্রেফতারের পর তার মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ। ফরেনসিক এনালাইসিসের পর উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আবরারুল পুলিশকে প্রথম তথ্য দেয়- জিহাদের ডাক পেয়ে কুমিল্লা থেকে তার বন্ধুরা যাদের কথায় ঘর ছেড়েছে, তাদের দু’জন চিকিৎসক। প্রায় এক বছর থেকে ওই দুই ‘বড় ভাই’কে তারা চেনে। দু’জনই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে (কুমেক) পড়েছে। আবরারুলের সঙ্গে তার ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত চিকিৎসক শাকির বিন ওয়ালীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শাকিরের বাবা এ কে এম ওয়ালী উল্লাহ জামাতপন্থী ডাক্তারদের সংগঠন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সহসভাপতি। শাকির তার আত্মীয়কেও উগ্রবাদের পথে আনতে চেয়েছিল। কিন্তু ব্যর্থ হলেও রিক্রুটিং থেমে থাকেনি। তারই নেতৃত্বে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইমরান বিন রহমান ওরফে শিথিল (১৭), কুমিল্লা সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম (১৮) ও একই কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহাল আবদুল্লাহ (১৭) ও আবরারুল-সহ সাত জনকে রিক্রুট করে আনসার আল ইসলাম।