সুমন কর্মকার (তালা) প্রতিনিধি: দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ শক্তির বিনাশ আর জগতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। এমন বিশ্বাস নিয়ে প্রতিবারের মত এবারও তালা উপজেলার মাগুরায় ১১টি পূজা মন্ডপে চলছে দূর্গা পূজার ব্যাপক প্রস্তুতি।

১ই অক্টোবর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উপলক্ষ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি।

এদিকে পূজাকে ঘিরে মণ্ডপে মণ্ডপে সব রকমের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন প্রতিমাশিল্পি আর পূজা কমিটির লোকজন। খুশির আমেজ বিরাজ করছে সনাতনীদের পাড়ায় পাড়ায়।

প্রতিমার মাটির কাজ শেষ পর্যায়ে। রং তুলির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাসস্করা। এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘটবে ঘোটকে করে এবং গমন করবেন দোলায় করে।

কয়েকটি পূজা মন্ডপ সরজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, মাগুরা ইউনিয়নের বলরামপুর, বারুইপাড়া, ফলেয়া, মাগুরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় মন্দির সহ প্রতিটি পূজামন্ডপে দূর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে।

ভাসস্করা খড়-মাটি ও রং তুলির কাজে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

ডেইলি ঢাকা মেইল কে প্রতিমা শিল্পী মাগুরা গ্রামের শোভনলাল দাশ তিমির বলেন, গত একমাস ধরে বিভিন্ন ডিজাইনের প্রতিমার খড় মাটির কাজ চলছে। এখন থেকে পূজার আগের রাত পর্যন্ত কাজ চলবে বিভিন্ন মন্ডপে। তবে পরিশ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক পর্যাপ্ত না হলেও আন্তরিকতার সহিত কাজ করেন তারা। দৃষ্টিনন্দন সুন্দর প্রতিমা তৈরি করতে হলে মনের মাধুরী দিয়ে কাজ করতে হয় বলে জানান ভাসস্করা।

এ বিষয়ে মাগুরা ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ মুখার্জী ডেইলি ঢাকা মেইল কে জানান, মাগুরা ইউনিয়নে ১১টি পূজা মন্ডপে দূর্গা পূজার প্রস্তুতি চলছে। সকলের সহযোগিতায় উৎসবমূখর পরিবেশে দূর্গোৎসব পালিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ডেইলি ঢাকা মেইল কে তিনি আরও বলেন, সরকারিভাবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রতিটি পূজা মণ্ডপে দুটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে বলে জানান।