
উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের উলিপুরে প্রতিবেশীর স্থাপিত CCTV ক্যামেরার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের চলাচল নজরদারির আওতায় পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ ফারুক হোসেন। একই সঙ্গে প্রায় আধা শতাংশ জমি প্রভাব খাটিয়ে দখলে রাখার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
মোঃ ফারুক হোসেন, পিতা—মোঃ রমজান আলী, সাং সরদার পাড়া, উলিপুর, কুড়িগ্রাম। তার অভিযোগের তীর একই এলাকার বাসিন্দা এরশাদুল হকের দিকে।
ফারুক হোসেনের দাবি, এরশাদুল হকের বসতঘরের এক পাশে এমনভাবে একটি CCTV ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যেটির দিক তার বাড়ির গেট ও সামনের চলাচলের স্থানের দিকে। এতে তার স্ত্রী, বড় মেয়ে, ছেলের বউসহ পরিবারের সদস্যদের দৈনন্দিন চলাচল ক্যামেরার আওতায় চলে আসছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বাদী ফারুক হোসেনের সঙ্গে কথা বলে এবং তার দেখানো ছবি/ইমেজ পর্যালোচনা করে CCTV ক্যামেরাটির অবস্থান ও দিক সম্পর্কে অভিযোগের বিষয়টি জানা যায়। তবে ক্যামেরাটি বাস্তবে ঠিক কতটুকু এলাকা ধারণ করছে এবং কোনো ব্যক্তির চলাচল নিয়মিতভাবে রেকর্ড করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে সরেজমিন ও কারিগরি যাচাই প্রয়োজন।
ফারুক হোসেন আরও দাবি করেন, তার মালিকানাধীন/দখলীয় প্রায় ০.৫ শতাংশ জমি প্রভাব খাটিয়ে দখলে রাখা হয়েছে। ওই জমি তিনি ভোগদখলে নিতে পারছেন না বলেও অভিযোগ করেন। জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তার কাছে রয়েছে বলে জানান তিনি।
তার অভিযোগ, CCTV ক্যামেরার অবস্থান ও দিক নিরপেক্ষভাবে যাচাই এবং জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করা হলে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হবে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে তিনি বা তার পরিবারের সদস্যরা হয়রানি কিংবা ভয়ভীতির শিকার হতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ফারুক হোসেন।
তবে এ প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিষয়গুলো সম্পূর্ণভাবে বাদীর বক্তব্য ও তার দেখানো ছবি/ইমেজের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। অভিযুক্ত এরশাদুল হকের বক্তব্যও এ প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি। ফলে প্রকৃত ঘটনা জানতে উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য যাচাই করা জরুরি।