দৈনিক ঢাকা মেইল রিপোর্ট:—
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আগামী মাসের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এছাড়া নির্বাচন শুরু হওয়ার পর ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।
গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
জাহেদ উর রহমান আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রাথমিক পথরেখা (রোডম্যাপ) প্রণয়ন করেছে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য পৃথক রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে এগুলো চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হতে পারে। তিনি আরও জানান, আগামী ৫ আগস্টের আগেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সারা দেশকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করে ভোটগ্রহণের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো— হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চল, নদীপ্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল।
তিনি জানান, হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করবে নির্বাচন কমিশন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না—এটি দীর্ঘদিন ধরে একটি আলোচিত বিষয় ছিল। কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেছেন, যেহেতু অনেক জায়গায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাই নির্বাচন নাও হতে পারে। কিন্তু আমরা বারবার বলেছি, আমাদের মন্ত্রীও সব সময় বলেছেন যে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরের মধ্যেই শুরু হবে। আপনারা জানেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন। আমরা চেষ্টা করি, যত বেশি সম্ভব নির্বাচন শুষ্ক ও শীত মৌসুমে সম্পন্ন করতে।”