• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ শিক্ষক ও বিএনপি নেতা আরিফুর রহমান মিল্টন মাস্টারের ইন্তেকালে চরভৈরবীতে শোকের ছায়া শেরপুরে চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী। রুমায় দুর্গম আমইপাড়ায় সুপেয় পানির ট্যাংক দিল রুমা জোন বৈরী আবহাওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা চালিয়ে নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরলেন মাহদী আমিন আগামী ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল হাই সরকার জনপ্রিয়তার শীর্ষে ডাবের পানিতে চেতনানাশক’ মিশিয়ে মানুষকে অজ্ঞান: নওগাঁয় প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, অটোরিকশা উদ্ধার পেকুয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দুর্গত এলাকা পরিদর্শন চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, সামারি ট্রায়ালে এক বছরের কারাদণ্ড ‘প্রতিশ্রুতি নয়, কাজের মাধ্যমেই মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই’ — সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সুমন খান দেশের চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা চট্টগ্রাম শহর ও জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু ডুবে থাকা রেলপথ ৫ ফুট উঁচু করা হবে: রেল প্রতিমন্ত্রী আগামী মাসে তফসিল, অক্টোবরে ইউপি নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা নিরাপদ সড়ক চাই শিবপুর উপজেলা শাখা কমিটির আইডি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলের আঘাতে স্ত্রী নিহত, স্বামী আটক বগুড়া মুদ্রণ শিল্প শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাদ্রাসা-প্রতিবন্ধীসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে ১কোটি ৩০লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান গুড়গুড়ি উত্তরপাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষরা ৬০টি আম গাছ কেটে ফেলেন র‍্যাব-৫-এর বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার রতন শাহ, তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে একাধিক অভিযোগ

ভারত-বাংলাদেশের সুপরিচিত বিশিষ্ট কবি, সম্পাদিকা, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, কণ্ঠশিল্পী ও ছড়াকার মাধুরী ব্যানার্জীর লেখা অণুগল্প “নিস্তব্ধ মনের ব্যালকনি”

দৈনিক ঢাকা মেইল / ২৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

ভারত-বাংলাদেশের সুপরিচিত বিশিষ্ট কবি, সম্পাদিকা, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, কণ্ঠশিল্পী ও ছড়াকার মাধুরী ব্যানার্জীর লেখা অণুগল্প “নিস্তব্ধ মনের ব্যালকনি”

নিস্তব্ধ মনের ব্যালকনি
-মাধুরী ব্যানার্জী

বাড়ির দক্ষিণমুখী ছোট্ট ব্যালকনিটা ছিল নীলাঞ্জনার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা। দিনের শেষে সেখানে বসে আকাশের রং বদলানো দেখত সে। কখনও সোনালি, কখনও কমলা, কখনও বা গভীর নীল। কিন্তু আজকাল রঙগুলোও যেন তার চোখে ধরা পড়ত না।
কয়েক মাস আগে মাকে হারিয়েছে নীলাঞ্জনা। ঘরের সবকিছু আগের মতোই আছে, অথচ কিছুই আগের মতো নেই। রান্নাঘরে মায়ের গানের সুর নেই, সন্ধ্যার প্রদীপ জ্বালানোর তাড়া নেই, আর নেই সেই স্নেহভরা ডাক—”নীলু, চা খেয়ে নে।”
প্রতিদিন সন্ধ্যায় সে ব্যালকনিতে এসে বসে। নিস্তব্ধতাকে সঙ্গী করে দূরের গাছগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে হয়, তার মনটাও যেন এক নিস্তব্ধ ব্যালকনি—যেখানে কেউ আসে না, কোনো শব্দ পৌঁছায় না।
একদিন হঠাৎ তার চোখ পড়ল পাশের বাড়ির ছাদে। একটি ছোট্ট মেয়ে ঘুড়ি ওড়ানোর চেষ্টা করছে। বারবার ঘুড়ি পড়ে যাচ্ছে, তবু সে হাল ছাড়ছে না। মেয়েটির মুখে অদ্ভুত এক হাসি।
নীলাঞ্জনা মুগ্ধ হয়ে দেখতে লাগল। শেষ পর্যন্ত ঘুড়িটি আকাশে উড়ে উঠল। মেয়েটি আনন্দে হাততালি দিল।
সেই মুহূর্তে নীলাঞ্জনার মনে হলো, জীবনও যেন ওই ঘুড়ির মতো। বারবার পড়ে যায়, সুতো জড়িয়ে যায়, তবু আবার উড়তে শেখে।
সন্ধ্যার বাতাস তার চুল উড়িয়ে দিল। অনেকদিন পর সে গভীর শ্বাস নিল। আকাশের দিকে তাকিয়ে মৃদু স্বরে বলল, “মা, তুমি নেই, কিন্তু তোমার শেখানো সাহসটা এখনও আছে।”
দূরে একটি তারা জ্বলে উঠেছে। নীলাঞ্জনার মনে হলো, নিস্তব্ধ মনের ব্যালকনিতে যেন একটি ছোট্ট আলো এসে বসেছে।
সেদিনের পর থেকে ব্যালকনিটি আর শুধু নীরবতার স্থান রইল না। সেখানে প্রতিদিন একটু করে জন্ম নিতে লাগল নতুন আশা, নতুন সাহস, আর বেঁচে থাকার এক নরম আলো।


এই বিভাগের আরও খবর

BROWSE BY TAG

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com