• শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী। শহীদ গাজীউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় শেরপুরের দরিদ্রদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ। গরিব ও দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান ধুনটের চিকাশী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী মো: হেলালুর রহমান বাবু বাবার পথেই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বদলগাছীতে মানবিক সহায়তার ভিজিএফ চাউল বিতরণ বরিশালে বিএনপির উদ্যোগে দোয়া ও শোকরানা মোনাজাত বিএনপি জনগণের রায়ে বিশ্বাসী, জনগণের জন্য কাজ করে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নওগাঁর বদলগাছীতে বছরের প্রথম বৃষ্টিতেই ইটভাটার সর্বনাশ: ১০ কোটি টাকার কাঁচা ইট নষ্ট — হতাশায় ভাটা মালিকরা চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীর পাড়ে ফসলি জমির মাটি বিক্রির হিড়িক: হুমকিতে কৃষি ও পরিবেশ ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়াই প্রকৃত ঈদ — এ্যাডভোকেট শাহানাজ জামান বরিশাল হলিডে স্কুলের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বদলগাছীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১০০ পরিবার পেল ছাগল ও ফ্লোরম্যাট দুলালপুর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জিসাস বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের নির্বাচনে জাকির সভাপতি ও জাহিদুর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নরসিংদীর শিবপুরে সৌদি আরবের উপহারকৃত খেজুর বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ

কুড়িগ্রাম সাধারণ পাঠাগারের দখলদারিত্ব বন্ধে জেলা প্রশাসককে ১৯ সংগঠনের স্মারকলিপি প্রদান

দৈনিক ঢাকা মেইল - DAILY DHAKA MAIL / ২৫১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অর্ধশত বছরের ঐতিহ্যবাহী কুড়িগ্রাম সাধারণ পাঠাগারের দখলদারিত্ব, অনিয়ম ও ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে কুড়িগ্রামের ১৯ টি সাংস্কৃতিক, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও নাগরিক সংগঠন। সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ পাঠাগার আজ আর পাঠাগার নেই—এটি রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিস্বার্থে ব্যক্তিগত রিডিং রুম ও কোচিং সেন্টারে পরিণত হয়েছে। ফলে জেলার সাধারণ পাঠক ও হাজারো শিক্ষার্থী এ পাঠাগারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

স্মারকলিপিতে জানানো হয়, ২০১৬ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক নুরুল আমিনের উদ্যোগে পাঠাগারের ভেতরে চাকরির কোচিং কার্যক্রম শুরু হয়। ধীরে ধীরে পুরো পাঠাগার কোচিং সেন্টারের দখলে চলে যায় এবং বর্তমানে সপ্তাহের সাত দিনই কোচিং চলে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে পাঠাগারের দোতলার একটি পরিত্যক্ত রুমে পাঠচক্র, শিল্প-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজন শুরু হয়, যার নাম দেওয়া হয় “কুড়িগ্রাম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র”। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসকের লিখিত অনুমতিতেই এ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক রূপ পায়। কিন্তু চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর রাতে স্বঘোষিত এনসিপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজের নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা তালা ভেঙে এ কেন্দ্র দখল করে নেয়।

সংগঠনগুলোর দাবি, বর্তমানে পাঠাগারে নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যক্তিগত বই ও চাকরির গাইড স্তুপ করে রাখা হচ্ছে। টেবিল-চেয়ার ভাগ করে ব্যক্তিগত নামে দখল তৈরি করা হয়েছে। পাঠাগারের ভেতরে ব্যক্তিগত টেবিল পর্যন্ত আনা হয়েছে। অজস্র প্রাচীন ও অমূল্য বই অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, বুকশেলফ ধুলো ও মাকড়সার জালে ঢেকে আছে। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো সাধারণ পাঠক ও শিক্ষার্থীদের প্রবেশ কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থে পরিচালিত এ পাঠাগারকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের সম্পত্তি মনে করে ব্যবহার করছে, যা সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগতভাবে জেলার জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ও পাঠাগারের পদাধিকার সভাপতি বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়—পাঠাগারের অবৈধ দখল অবিলম্বে উচ্ছেদ করতে হবে। কোচিং কার্যক্রম ও ব্যক্তিগত রিডিং রুম বন্ধ করতে হবে। অমূল্য বই সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে। পাঠাগারকে সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি দোতলার কক্ষ পুনরায় “কুড়িগ্রাম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র”-এর কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। স্মারকলিপিতে জেলা প্রশাসককে উদ্দেশ্য করে বলা হয়—তিনি পদাধিকার বলে পাঠাগারের সভাপতি। সুতরাং অনিয়ম ও দখলদারিত্ব বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া তাঁর দায়িত্ব। অন্যথায় সচেতন নাগরিক সমাজ নীরব থাকবে না।

হিজিবিজি, কুড়িগ্রাম সাহিত্যসভা, অনুশীলন, কুড়িগ্রাম বিজ্ঞান ক্লাব, ডিবেট কুড়িগ্রাম, পরিবেশ বীক্ষণ, সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন, প্রীতিলতা ব্রিগেড, পদ্মকলি খেলাঘর আসর, এনসিটিএফ, ওয়াইসিএস, প্রথম আলো বন্ধুসভা, সারথী, জুভেন্স রাইট নেট, চর মিউজিয়াম, জেএফসিএলআর, ইয়োথনেট, বসুন্ধরা শুভ সংঘ ও এসিএমও—এই ১৯টি সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, “কুড়িগ্রাম সাধারণ পাঠাগারকে বাঁচানো মানে কুড়িগ্রামের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যৎকে বাঁচানো। আমরা অবিলম্বে দখলদারিত্বের অবসান ও পাঠাগারের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার চাই।”


এই বিভাগের আরও খবর

BROWSE BY TAG

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com