লালমনিরহাটের হাতিবান্ধায়, ডালিয়া সংলগ্ন শেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ। এটি বাংলাদেশের মধ্যে একটি সুইচ গেট সেতু। এই সুইচ গেট সেতু তিস্তা ব্যারেজ এরশাদ সরকারের আমলে হয়েছিল। শেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ এই যায়গায় প্রতি নিয়তই লোক জন আসা যাওয়া এবং ঘোরাঘুরি করে থাকেন। সবচেয়ে মানুষ বেশি হয় শুক্র বারের দিন। শুক্রবারে ছুটির দিন থাকায় অনেক দূর দুরন্ত থেকে মানুষ এই তিস্তা ব্যারেজ দেখতে আসে । এখানে ঘোরাঘুরি করার মত তেমন ভালো কোন জায়গা নেই।
শুধু আছে অবসর একটা বাড়ি আর আছে ছোট একটা পার্ক ও কন্ট্রোল রুম। আর বেশ কিছু গাছ পালা এবং আরো কিছু আঁকা বাঁকা রাস্তা ঘাট। ভালো লাগে এখানে আসলে প্রকৃত এলাকা যেহেতু তাই মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। ঈদ, বৈশাখী মেলা, ১৬ ডিসেম্বর ও বিভিন্ন দিবসের দিন একটু মানুষ বেশি হয়। এই তিস্তা ব্যারেজ কে সুরক্ষিত ও নিরাপদ রাখার জন্য এখানে পুলিশ ক্যাম আনসার ক্যাম্প ও বিজিবি ক্যাম্প রয়েছে। এরা সর্বদাই নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এই শেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ গত ১ বছর আগে শুনছি তিস্তা মহা পরিকল্পনা নিয়ে এই তিস্তা মহা পরিকল্পনা। বাস্তবায়নের কথা ছিলো এই বছরের প্রথমেই। এখনো কোনো কিছু হচ্ছে না। আরো শুনা গেছে যে এই তিস্তা মহা পরিকল্পনার কাজ নাকি চিন দেশ করবে। এই কাজ বাস্তবায়ন হলে এই তিস্তা পাড়ের মানুষ অনেক টা ক্ষতিগ্রস্তর হাত থেকে রেহাই পেতো। কারন যখন বন্যা হয় তখন এই লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায়, যে তিস্তা বাসি অনেক টা ক্ষতিগ্রস্তের মধ্যে পড়ে যায়। তাদের বাড়ি ঘরে পারি উঠে তাদের জীবন যাপন করতে অনেক কষ্ট হয়ে যায়। যখন বন্যার সময় হয়। না আসতে পাড়ে তারা বাজার করতে, না আসতে পাড়ে চিকিৎসা করতে তাদের এমন সময় পাড় করতে হয়, এই তিস্তা পাড়ের মানুষকে । এই তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এই বন্যায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের আর প্রতি বারের মতো বিপদের সম্মুখীন হতে হবে না। এলাকা বাসি চায় তিস্তা মহা পরিকল্পনা টা অতি দ্রুত বাস্তবায়ন হোক। তাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয় প্রতি বছরি বন্যার সময়। গত এক বছর আগে কয়েক জন চিন দেশ থেকে লোক এসে দেখে গেছে। তারা বলছে যে খুব দ্রুত এই খানে কাজ শুরু হবে আপনার চিন্তা করবে না। আরো শুনা যায় শেখ হাসিনা নাকি এই তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাজেট করেছে। এবং এই কাজ টা নাকি চিন দেশের ইঞ্জিনিয়ার দের কাছে দিয়েছে। এমন টাই শোনা গিয়েছিলো। এই তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে চরের অনেক জমি রেহাই পাবে মানুষের অনেক উপকার হবে যদি এই কাজ টা বাস্তবায়ন হয়। কারন এই তিস্তা পাড়ের মানুষ গুলো বন্যার সময় খুবি আতঙ্কে থাকে হয়। তাদের মনে ভয় কাজ করে যে কখন যেনো আমার ঘর টা ভেঙে যায়। এমন সময় পাড় করতে হয় তাদের। এই বার বন্যায় অনেক মানুষের অনেক ক্ষতি হয়েছে। অনেকের বাড়ি ঘর তলিয়ে গিয়েছিলো এই ২৪ সালের বন্যায়। বন্যা বাসি দের দেখার মতো কেউ থাকে না তখন। তিস্তা মহা পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে হাজার হাজার ঘর বারি নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পেতো। তিস্তা পাড়ের মানুষ চায় তারা তারি এটি বাস্তবায়ন দেখতে।