• মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পুলিশ প্রটোকল ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে আমিনবাজার-আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল পরিদর্শনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড। মানবাধিকার সংগঠনের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংস্কারের দাবি সেহলী পারভীনের ইউএনওকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। ডি-ফ্যাব নেতার অসুস্থ পিতাকে দেখতে হাসপাতালে এম-ট্যাব বগুড়া আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ “ঈদের সৌহার্দ্যে ঐক্যের বার্তা: শাজাহানপুর বিএনপি নেতাদের সঙ্গে জেলা জিসাসের মতবিনিময়” শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানবাধিকার ও সাংবাদিক নেতা সেহলী পারভীন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে এম-ট্যাব ও বিএমটিএ বগুড়া জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার অ্যাসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় গাজীপুরে খাবার দেওয়ার কথা বলে শিশুকে ধর্ষণ, ফুফা গ্রেপ্তার ১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে খালু আলমগীর হোসেন আটক। সারা দেশে কমিউনিটি পুলিশিং ছড়িয়ে দেওয়া হবে : আইজিপি শেরপুর থানা বার্ষিক পরিদর্শন করলেন বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ। রাণীরহাট মেলা ঘিরে অশ্লীল নৃত্যের আয়োজনের অভিযোগ, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি এলাকাবাসীর গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিলের দাবি সম্পাদক পরিষদের। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের বৈঠক চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যোগ দেবেন একাধিক কর্মসূচিতে মাদক বৃদ্ধির অন্যতম কারণ খেলার মাঠ সংকুচিত হয়ে যাওয়া — বিদ্যুৎমন্ত্রী

মানবাধিকার সংগঠনের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংস্কারের দাবি সেহলী পারভীনের

dailydhakamail / ১৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"border":3,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

নিজস্ব প্রতিবেদক:– বাংলাদেশে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নিবন্ধন ও অনুমোদন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং বিশেষজ্ঞনির্ভর করার দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় মানবাধিকার নেত্রী সেহলী পারভীন। তিনি মনে করেন, মানবাধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর নিবন্ধন প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যবস্থার পাশাপাশি মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা জরুরি।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে সেহলী পারভীন বলেন, “বর্তমানে কোনো মানবাধিকার সংস্থা বা সংগঠনের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তদন্ত ও ইতিবাচক ছাড়পত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, মানবাধিকার বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের মতামত ছাড়া একটি সংগঠনের গঠনতন্ত্র, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রমের সঙ্গে মানবাধিকারের মৌলিক নীতিমালার সামঞ্জস্য কতটা রয়েছে, তা নির্ণয় করা কতটা সম্ভব?”

তিনি বলেন, “যদি তদন্ত ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় মানবাধিকার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ না থাকেন, তাহলে গঠনতন্ত্রে মানবাধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো ধারা বা উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা যথাযথভাবে চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে কিছু সংগঠন মানবাধিকারের নাম ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার সুযোগ পায়।”

সেহলী পারভীনের অভিযোগ, দেশে কিছু সংগঠন মানবাধিকারের ব্যানার ব্যবহার করলেও তাদের কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত মানবাধিকার চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এসব সংগঠনের কিছু কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের মধ্যে ভুল বার্তা ছড়িয়ে দেয় এবং মানবাধিকার আন্দোলনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।

তিনি আরও বলেন, “মানবাধিকার কোনো ব্যবসা নয়, কোনো রাজনৈতিক হাতিয়ারও নয়। এটি মানুষের মর্যাদা, ন্যায়বিচার, সমতা এবং মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষার একটি দায়িত্বশীল সামাজিক অঙ্গীকার। তাই মানবাধিকার সংগঠন পরিচালনার জন্য প্রয়োজন যোগ্যতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক দায়বদ্ধতা।”

নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় সংস্কারের প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, “সরকার চাইলে মানবাধিকার আইনবিদ, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও অভিজ্ঞ মানবাধিকার কর্মীদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ পর্যালোচনা কমিটি গঠন করতে পারে। এই কমিটি নিবন্ধনের আবেদনকারী সংগঠনগুলোর গঠনতন্ত্র, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম মূল্যায়ন করে সুপারিশ প্রদান করতে পারে।”

তিনি বলেন, “শুধু নিবন্ধন প্রদান করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। নিবন্ধিত সংগঠনগুলো বাস্তবে কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তারা মানবাধিকারের নীতিমালা অনুসরণ করছে কি না, সে বিষয়েও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন প্রয়োজন।”

সেহলী পারভীন আরও বলেন, “মানবাধিকারের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো বা ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের প্রবণতা রোধ করতে না পারলে প্রকৃত মানবাধিকার সংগঠনগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই নিবন্ধন ও তদারকি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা সময়ের দাবি।”

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে ভাববে এবং এমন একটি কাঠামো তৈরি করবে, যেখানে প্রকৃত মানবাধিকার চর্চাকারীরা উৎসাহিত হবে এবং মানবাধিকারের নামে অপতৎপরতার সুযোগ কমে আসবে।”

মানবাধিকার বিশ্লেষকদের মতে, দেশে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ ও জনমুখী করতে নিবন্ধন, তদারকি এবং জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে আধুনিক ও বিশেষজ্ঞভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

এতে মানবাধিকার সুরক্ষা ও জনআস্থা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


এই বিভাগের আরও খবর

BROWSE BY TAG

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com