• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নরসিংদীতে মোবাইল কোর্টে: দুই প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা টেকনাফের হ্নীলার মগপাড়ায় ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালানের প্রকৃত মালিক মাহাবু এখনো অধরা চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’: প্রতিমন্ত্রী কোনো দেশের আমন্ত্রণে শর্ত থাকলে বন্ধুত্ব সম্ভব নয়: রুহুল কবির রিজভী। তিন জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, রাজশাহীতে কলেজশিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত। সাবেক প্রতিমন্ত্রী সতীশ চন্দ্র রায় আর নেই সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ আর নেই কলকাতায় আগুনে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে আনা হবে; পরিবার চাইলে খরচ বহন করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়ে হোটেলের আগুনে স্ত্রী-সন্তান-শ্বশুরসহ সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামীর মৃত্যু: ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি বদলগাছীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারী রিং জাল জব্দ, পরে পুড়িয়ে ধ্বংস সিরাজগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী দিনে মৎস্যজীবীদের নিয়ে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির সিরাজগঞ্জে আগমন কমিউনিটি পুলিশিং সভায় যোগদান ও সদর থানা পরিদর্শন। কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীতে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে নাছিমা বেগম নিখোঁজ ভুরুঙ্গামারীতে ইয়াবা ও হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক কারবারি মিজু ও সহযোগী গ্রেফতার বিএনপির চেয়ারপার্সন আপোষহীন নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে- আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা করেছেন-বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু শিক্ষকদের অবসরের টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

টেকনাফের হ্নীলার মগপাড়ায় ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালানের প্রকৃত মালিক মাহাবু এখনো অধরা

dailydhakamail / ২২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

 

ফরহাদ রহমান
টেকনাফ প্রতিনিধি, কক্সবাজার

টেকনাফের হ্নীলার মগপাড়া এলাকায় পুলিশের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই সহোদর গ্রেপ্তার হলেও উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক হিসেবে স্থানীয়ভাবে যার নাম উঠে এসেছে, সেই মাহাবু ওরফে মাহবুবুর রহমান এখনো অধরা রয়েছেন। ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত মাহাবু নিজেকে রক্ষা করতে বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাঁপ করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে অভিযুক্ত হ্নীলার মাহাবু সওদাগরকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

গত ১৮ আগস্ট টেকনাফ থানা পুলিশের একটি দল হ্নীলার মগপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ আলী (৩২) ও মোহাম্মদ আমিন (২৯) নামের দুই সহোদরকে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ টাকাসহ গ্রেপ্তার করে।

এলাকাবাসীর দাবি, গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাই নিতান্তই সাধারণ পরিবারের সন্তান এবং দিন এনে দিন খেয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক হিসেবে হ্নীলার মাহাবু ওরফে মাহবুবুর রহমানের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহাবু একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী ও শীর্ষ কারবারি। তিনি পূর্ব সিকদারপাড়া এলাকার মৃত মৌলভী ইসহাকের ছেলে। লোকমুখে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক হিসেবে ইয়াবা কারবারি মাহবুবুর রহমানের নাম উচ্চারিত হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ আমিন মাহাবুর দোকানের কর্মচারী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাহাবুর দোকানে চাকরি করে আসছেন। আমিন ও তার ভাই মোহাম্মদ আলীকে ব্যবহার করেই মাহাবু মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান এনে বাজারজাত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, এর আগেও মাহাবু সওদাগরের ৫০ হাজার পিস ইয়াবার একটি চালান প্রশাসনের হাতে আটক হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি এভাবেই ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্রের দাবি, গত ১৮ আগস্ট মিয়ানমার থেকে প্রায় ১৫ কার্ড বা দেড় লাখ পিস ইয়াবার একটি চালান আসে। এর মধ্যে পুলিশের অভিযানে ৭ কার্ড বা ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হলেও বাকি ৮ কার্ড বা ৮০ হাজার পিস ইয়াবা কৌশলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে স্থানীয়দের প্রশ্ন, দিনমজুর ও সাধারণ চাকরিজীবীরা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতারা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবেন? তাদের মতে, গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ আমিন ও মোহাম্মদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে মাহাবুবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ইয়াবার মালিক সাংবাদিকেরা।” পরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে সমঝোতার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “ইয়াবার মালিক কে, সেটা অবশ্যই বেরিয়ে আসবে। মাদক ব্যবসায়ী যত বড়ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই সহোদরকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এই বিভাগের আরও খবর

BROWSE BY TAG

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com