• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শাহজাদপুরে বন্যা ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও চেক বিতরণ সারাদেশে নির্বিঘ্নে পূজা সম্পন্নে আইজিপিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের ধন্যবাদ বানিয়াচংয়ে পুরাতন ব্যাটারির প্লেট পুড়িয়ে সিসা তৈরি: হুমকির মুখে পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্য বগুড়ায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান সুরাইয়া জেরিন রনি এমপির পক্ষ থেকে শেরপুরে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন, আর্থিক অনুদান প্রদান ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন মজিবুর রহমান শেরপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন, আর্থিক অনুদান প্রদান ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন জানে আলম খোকা চৌহালীতে হতদরিদ্রদের মাঝে স্বল্প মূল্যে চাউল বিতরণ স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করতে রক্তদাতাদের সম্মাননা প্রদান শাহজাদপুরে এনসিডি কর্নার পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অসুস্থ কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাজেলের পাশে সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি রৌমারীতে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু আজ এম এন শাওন সাদেকীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় মানববন্ধন চরভদ্রাসনে ১০৫ পিস ইয়াবাসহ নারী আটক। টেকনাফে অপহৃত রোহিঙ্গা তরুণ উদ্ধার, আটক ১ চরভদ্রাসনে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড চৌহালীতে পল্লী বিদ্যুতের সাব-জোনাল অফিস উদ্বোধন বগুড়ায় জিয়া সাইবার ফোর্সের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প দুই শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা ডেঙ্গু প্রতিরোধে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ভালো হয়েছে: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী উপনির্বাচনেও মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনী, ব্যবহার হবে আধুনিক প্রযুক্তি: ইসি

টেকনাফের হ্নীলার মগপাড়ায় ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালানের প্রকৃত মালিক মাহাবু এখনো অধরা

dailydhakamail / ৫৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

 

ফরহাদ রহমান
টেকনাফ প্রতিনিধি, কক্সবাজার

টেকনাফের হ্নীলার মগপাড়া এলাকায় পুলিশের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই সহোদর গ্রেপ্তার হলেও উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক হিসেবে স্থানীয়ভাবে যার নাম উঠে এসেছে, সেই মাহাবু ওরফে মাহবুবুর রহমান এখনো অধরা রয়েছেন। ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত মাহাবু নিজেকে রক্ষা করতে বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাঁপ করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে অভিযুক্ত হ্নীলার মাহাবু সওদাগরকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

গত ১৮ আগস্ট টেকনাফ থানা পুলিশের একটি দল হ্নীলার মগপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ আলী (৩২) ও মোহাম্মদ আমিন (২৯) নামের দুই সহোদরকে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ টাকাসহ গ্রেপ্তার করে।

এলাকাবাসীর দাবি, গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাই নিতান্তই সাধারণ পরিবারের সন্তান এবং দিন এনে দিন খেয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক হিসেবে হ্নীলার মাহাবু ওরফে মাহবুবুর রহমানের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহাবু একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী ও শীর্ষ কারবারি। তিনি পূর্ব সিকদারপাড়া এলাকার মৃত মৌলভী ইসহাকের ছেলে। লোকমুখে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক হিসেবে ইয়াবা কারবারি মাহবুবুর রহমানের নাম উচ্চারিত হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ আমিন মাহাবুর দোকানের কর্মচারী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাহাবুর দোকানে চাকরি করে আসছেন। আমিন ও তার ভাই মোহাম্মদ আলীকে ব্যবহার করেই মাহাবু মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান এনে বাজারজাত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, এর আগেও মাহাবু সওদাগরের ৫০ হাজার পিস ইয়াবার একটি চালান প্রশাসনের হাতে আটক হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি এভাবেই ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্রের দাবি, গত ১৮ আগস্ট মিয়ানমার থেকে প্রায় ১৫ কার্ড বা দেড় লাখ পিস ইয়াবার একটি চালান আসে। এর মধ্যে পুলিশের অভিযানে ৭ কার্ড বা ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হলেও বাকি ৮ কার্ড বা ৮০ হাজার পিস ইয়াবা কৌশলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে স্থানীয়দের প্রশ্ন, দিনমজুর ও সাধারণ চাকরিজীবীরা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতারা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবেন? তাদের মতে, গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ আমিন ও মোহাম্মদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে মাহাবুবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ইয়াবার মালিক সাংবাদিকেরা।” পরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে সমঝোতার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “ইয়াবার মালিক কে, সেটা অবশ্যই বেরিয়ে আসবে। মাদক ব্যবসায়ী যত বড়ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই সহোদরকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এই বিভাগের আরও খবর

BROWSE BY TAG

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com