• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বগুড়ায় নাশকতার মামলার আসামি ‘গরিবের ডাক্তার’ খ্যাত ডা. সামির হোসেন মিশু গ্রেপ্তার পটুয়াখালীতে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মারধর, প্রাণনাশ ও মিথ্যা মামলার হুমকি; (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ। বাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের প্রতিনিধি সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। জনসেবার প্রতিশ্রুতিতে এগিয়ে আবু সাঈদ (বাবু), কেন তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ভোটাররা? সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন আল রশীদ আর নেই। ভারত-বাংলাদেশের সুপরিচিত বিশিষ্ট কবি, সম্পাদিকা, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, কণ্ঠশিল্পী ও ছড়াকার মাধুরী ব্যানার্জীর লেখা অণুগল্প “নিস্তব্ধ মনের ব্যালকনি” উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর নামাজের ইমামতি করতে গিয়ে পালিয়ে যাওয়া পরোয়ানাভুক্ত আসামি গোলাম আজম পুনরায় গ্রেপ্তার হঠাৎ বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন। জাতীয় মানবাধিকার অ্যাসোসিয়েশন বগুড়া কমিটির উদ্যোগে সদস্যদের মাঝে আইডি কার্ড ও টি-শার্ট বিতরণ পুলিশ প্রটোকল ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে আমিনবাজার-আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল পরিদর্শনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড। মানবাধিকার সংগঠনের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংস্কারের দাবি সেহলী পারভীনের ইউএনওকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। ডি-ফ্যাব নেতার অসুস্থ পিতাকে দেখতে হাসপাতালে এম-ট্যাব বগুড়া আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ “ঈদের সৌহার্দ্যে ঐক্যের বার্তা: শাজাহানপুর বিএনপি নেতাদের সঙ্গে জেলা জিসাসের মতবিনিময়” শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানবাধিকার ও সাংবাদিক নেতা সেহলী পারভীন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে এম-ট্যাব ও বিএমটিএ বগুড়া জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ওয়ারেন্টের আসামি হয়েও প্রাইভেট কারে মাদক চোরাচালানে বেপরোয়া: শাহাদাত ওরফে হিরোইন শাহাদাত

দৈনিক ঢাকা মেইল - DAILY DHAKA MAIL / ২১০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

 

ক্রাইম রিপোর্টার : মাদকের দ্বন্দ্বে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি
নেশার ভয়াল থাবায় যুবসমাজ ধ্বংসের মূলহোতা শাহাদাত তার ছটো ভাই শামীমসহ ওরা ৯ জন কারা ? এক পারিবারের কব্জায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাদক সিন্ডিকেট: একটি পরিবারের হাতেই জিম্মি দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাদক সিন্ডিকেট। মা, ছোট ভাই, স্ত্রী ও প্রধান সহকারীকে নিয়ে পুরো জেলার মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করে মাদক সিন্ডিকেটের মূলহোতা শাহাদাত হোসেন ওরফে ডাইল শাহাদাত। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ আটকের পরেও জেল থেকে বেরিয়ে আসার পরেও থেমে নেই তাদের মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম। ভারত থেকে তাঁরবেড়া পার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীসহ সারাদেশে হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা সরবরাহ করে শাহাদাতের সক্রিয় সিন্ডিকেট ৯ জন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় বাড়ি হওয়ায় মাদক চোরাচালানের সবকিছুই নখেদর্পনে শাহাদাত হোসেনের। দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সাথে যুক্ত থাকায় এই সিন্ডিকেটের মূলহোতা এখন সে। ভারত থেকে পাচার করে নিয়ে এসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীসহ সারাদেশে খুচরা পাইকারী ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়ার সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করে শাহাদাত। শাহাদাতের হাতে পৌঁছে যায় প্রতি সপ্তাহে ভারত থেকে আসা ৫০০ গ্রাম হিরোইন যা বন্টন হয় লাল কালারের হানডেট প্রাইভেট কারে ৯ জনের হাতে।

জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ভারতীয় ফেনসিডিল ও হিরোইন এনে পুরো জেলাসহ দেশব্যাপী সরবরাহে মাদকের ভয়াল থাবায় যুবসমাজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মাদক সিন্ডিকেট চালাতে নিজের বাড়িতেই অস্থায়ী ফেনসিডিল, হিরোইন কারখানা গড়ে তুলেছেন শাহাদাত হোসেন। ভারত থেকে ফেনসিডিল আসার পর তার বাড়িতে আবারো সকল বোতল খোলা হয়। এরপর নতুন করে বোতলজাত হয়। এতে ভারতীয় ১০০ বোতল ফেনসিডিল খুলে তা নেশাজাতীয় ভেজাল অ্যালকোহল মিশিয়ে ১৪০ বোতলে রূপান্তরিত করা হয়। ভেজাল এ্যালকোহল মেশানোর কারনে এসব ফেনসিডিলে তীব্র নেশাগ্রস্ত হয়ে তৃপ্তি মিটাচ্ছে সেবনকারীরা। আর এতেই অন্যান্য মাদক সিন্ডিকেটের তুলনায় ভালো দাম ও জনপ্রিয়তা পেয়েছে শাহাদাতের নতুন বোতলজাত করা ফেনসিডিল।

একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন একটি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হওয়ায় এবং ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা গ্রামে বাড়ি হওয়ায় সুবাদে মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয় শাহাদাতের জন্য। অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে নিরীহ ব্যক্তিদের ফাঁসিয়ে মাদক মামলা দিয়ে কারাগার বহু মানুষ, তাকে নিয়ে মুখ খুললেই মামলার আতঙ্ক? তবে তার ভারত থেকে সকল ফেনসিডিল ও হেরোইন আসে রাতের অন্ধকারে তারবেঁড়া পার হয়ে। এরপর শাহাদাতের বাড়িতে নতুন বোতলজাত করে তার ছোট ভাই শামীম অন্যদিকে তার ডান হাত সেকেন্ড মূল হোতা ন্যাংড়া শামীম। সিন্ডিকেটের মূলহোতা শাহাদাত প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ও অংশীদারত্বে বেপরোয়া ও তার মূল উপদেষ্টা হিরোইনের প্যাকেটজাতকরণ হাজারবিঘি ভোলামারি গ্রামের ন্যাংড়া শামীম।

স্থানীয়দের দাবি, তাদের প্রকাশ্যে মাদক দ্বন্দ্বের কারনে যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা। এসব বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিক এ এম ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, শাহাদাত একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে বর্তমান কোর্টের ওয়ারেন্ট সহ অনেকগুলো মাদক মামলা রয়েছে যার ওয়ারেন্ট প্রসেস নং ৩৩৮ /২০২৫ তাং ৬/ ৮ /২৫ শুধু শাহাদাত নয়, তার পুরো পরিবার মাদক সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। সকল সদস্যদের নামে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা। যা পুলিশের রেকর্ড অনুসন্ধান করলেই পাওয়া যাবে। তবুও এই পুরো পরিবারটি কেন ? ধরাছোঁয়ার বাইরে? প্রশ্ন তুলে ধরেন জেলার সচেতন নাগরিক, জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে? একটার পর একটা মামলা হয়, কিন্তু বের হয়ে এসে আবারোও একই কাজ শুরু করে তাহলে কি প্রশাসন তাদের কাছে জিম্মি ?


এই বিভাগের আরও খবর

BROWSE BY TAG

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com