বাংলাদেশী তরুণ ছাত্র নেতা সাদিক কায়েম এবার জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্বের অনুপ্রেরণাদায়ী তরুণদের তালিকায়। কানাডার সাসকাচেওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ উপস্থাপনায় উঠে এসেছে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব ও বিশ্ব পরিবর্তনের অনুপ্রেরণার কথা। “পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে কী লাগে? জেনারেশন জেড-এর কণ্ঠস্বর: তরুণ আইকন যারা অনুপ্রেরণা জোগান” শিরোনামের ওই সেশনে আলোচনায় আসেন বিশ্বখ্যাত জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ও বাংলাদেশের তরুণ ছাত্রনেতা সাদিক কায়েম।
উপস্থাপনায় গ্রেটা থুনবার্গকে পরিচিত করা হয় জলবায়ু ও রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় তাঁর বৈশ্বিক আন্দোলনকে তুলে ধরা হয় তরুণদের অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস হিসেবে।
অন্যদিকে, সাদিক কায়েমকে উপস্থাপন করা হয় ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে। বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে নেতৃত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও রাজনৈতিক সচেতনতার মাধ্যমে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
বিশ্ববিদ্যালয়টি তাদের গবেষণা ও পাঠ্যচক্রে এই দুই তরুণ নেতার জীবন ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরেছে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তরুণ প্রজন্মের ইতিবাচক অংশগ্রহণ ছাড়া বিশ্বের বড় কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। জলবায়ু আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সচেতনতা—সব ক্ষেত্রেই তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। আর গ্রেটা থুনবার্গ ও সাদিক কায়েমের মতো নেতারা সেই পরিবর্তনের পথ দেখাচ্ছেন।
আরও বিশ্লেষকরা বলছেন, তরুণদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নতুন আশার সঞ্চার করছে। তরুণদের স্বপ্ন, সাহস ও সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশকে এগিয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
এ বিষয়ে সাদিক কায়েম এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, “এটি শুধু আমার নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি সংগ্রামী তরুণের স্বীকৃতি। এ অর্জন দেশের। তরুণরাই পারে পরিবর্তনের অগ্রনায়ক হতে।”
শেষ কথা: বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার পেছনে যারা নীরবে-নিভৃতে কাজ করছেন, সাদিক কায়েম তাদেরই একজন সাহসী প্রতিনিধি। তার এই স্বীকৃতি নতুন প্রজন্মের জন্য একটি প্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।
লেখক ও সাংবাদিক. মোঃ জালাল উদ্দিন।
শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।