নিজস্ব প্রতিবেদক:- দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন হয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। বিমানবন্দরে পরিবারসহ তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। সারা দেশ থেকে লাখ লাখ নেতাকর্মী রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকার জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে অপেক্ষা করছেন।
বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনাস্থলের পথে রওনা দিয়েছেন তারেক রহমান। লাল-সবুজের বুলেটপ্রুফ মিনিবাসে চড়ে তিনি রওনা হন।
এর আগে (২৫ ডিসেম্বর ২০২৫) বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার (ফ্লাইট নম্বর বিজি-২০২) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির শীর্ষ সিনিয়র নেতারা। সেখানে সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
ওই অনুষ্ঠানে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এর আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর কিছুক্ষণ আগে তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে লেখেন, “দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!”
এর আগে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে ফ্লাইটটি।
একই দিন বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ৮টায় লন্ডনের নিজ বাসা ত্যাগ করেন তারেক রহমান। তিনি স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাত সোয়া ১০টায় হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান।