• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। জনসেবার প্রতিশ্রুতিতে এগিয়ে আবু সাঈদ (বাবু), কেন তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ভোটাররা? সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন আল রশীদ আর নেই। ভারত-বাংলাদেশের সুপরিচিত বিশিষ্ট কবি, সম্পাদিকা, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, কণ্ঠশিল্পী ও ছড়াকার মাধুরী ব্যানার্জীর লেখা অণুগল্প “নিস্তব্ধ মনের ব্যালকনি” উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর নামাজের ইমামতি করতে গিয়ে পালিয়ে যাওয়া পরোয়ানাভুক্ত আসামি গোলাম আজম পুনরায় গ্রেপ্তার হঠাৎ বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন। জাতীয় মানবাধিকার অ্যাসোসিয়েশন বগুড়া কমিটির উদ্যোগে সদস্যদের মাঝে আইডি কার্ড ও টি-শার্ট বিতরণ পুলিশ প্রটোকল ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে আমিনবাজার-আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল পরিদর্শনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড। মানবাধিকার সংগঠনের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংস্কারের দাবি সেহলী পারভীনের ইউএনওকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। ডি-ফ্যাব নেতার অসুস্থ পিতাকে দেখতে হাসপাতালে এম-ট্যাব বগুড়া আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ “ঈদের সৌহার্দ্যে ঐক্যের বার্তা: শাজাহানপুর বিএনপি নেতাদের সঙ্গে জেলা জিসাসের মতবিনিময়” শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানবাধিকার ও সাংবাদিক নেতা সেহলী পারভীন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে এম-ট্যাব ও বিএমটিএ বগুড়া জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার অ্যাসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় গাজীপুরে খাবার দেওয়ার কথা বলে শিশুকে ধর্ষণ, ফুফা গ্রেপ্তার ১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে খালু আলমগীর হোসেন আটক।

বাজুয়ার বেড়েখালের রাস্তার বেহাল অবস্থা, অচল জনজীবন।

dailydhakamail / ১৪৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫

অতনু চৌধুরী(রাজু) ব্যুরো চীফ খুলনাঃ- খুলনার দাকোপ উপজেলার বাজুয়া ইউনিয়নের ৭’নং ওয়ার্ডের বেড়েরখাল এলাকার মানুষ বছরের পর বছর ধরে অবহেলিত এই রাস্তাটি নিয়ে দুর্ভোগ বয়ে চলেছেন। সামান্য বৃষ্টি হলেই এই সড়ক কাদায় একাকার হয়ে যায়। কোথাও আবার বড় বড় গর্ত যার ফলে শিক্ষার্থী, রোগী, কর্মজীবী মানুষ সবাই চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্ষা এলেই যেন তাদের জীবনে নেমে আসে দুর্বিষহ যন্ত্রণা।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্থানীয়রা জানান, আনুমানিক প্রায় ৪’ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ইটের সলিং এর রাস্তাটি দাকোপ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের যাওয়ার একমাত্র যাতায়াতের পথ। রাস্তার দুই পাশে প্রায় ১০’হাজার মানুষ বসবাস করেন। এই রাস্তা দিয়েই এলাকার লোকজন বাজার, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল’সহ নানা স্থানে যাতায়াত করেন। কিন্তু বছরের বেশির ভাগ সময়ই এই রাস্তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এই রাস্তায় ফসল নিয়ে বাজারে যাওয়া খুব কষ্টের। কাদা আর গর্তে জন্য গাড়ি চলে না। ফলে সময়মতো ফসল বিক্রি করতে পারি না। এতে লোকসান হয়। কতবার মেম্বার চেয়ারম্যানকে বলেছি, কেউ আমাদের কথা শোনেন নাই।

এ বিষয়ে রঞ্জন সরকার নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, বর্ষাকালে এই রাস্তা চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। জুতা পরে বের হলেও কিছুদূর যেতেই পা কাদায় আটকে যায়। অনেক সময় অসাবধানতার জন্য পড়ে যাই। জামাকাপড় ভিজে যায়। কোন রোগী অসুস্থ হলে কোন যানবাহন পাওয়া যায়না।

অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়ে দীনবন্ধু মন্ডল নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন,একদিন রাতে বৃষ্টির মধ্যে স্ত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে হয়েছিল। ইজিভ্যান তো চলেই না, কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয়েছিল। পথেই দুবার পড়ে গেছি। এখনো সেই ভয়ের কথা মনে পড়লে গা শিউরে উঠে।

এ বিষয়ে কামাল হাওলাদার নামের স্থানীয় এক শিক্ষক বলেন, এলাকার জনগণের একটাই প্রশ্ন আর কতদিন এই খানাখন্দভরা রাস্তায় হেঁটে, পড়ে, দুঃখ নিয়ে চলতে হবে। আমরা এইটার দ্রুত সমাধান চাই এবং একটি নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা চাই।

এ বিষয়ে বিচিত্র মন্ডল নামের স্থানীয় এক চাকুরীজীবী বলেন, প্রতিদিন অফিসে যেতে ও আসতে এই রাস্তায় হাঁটতে হয়। কাদায় পা আটকে যায়। অফিসে যাওয়ার আগেই কাপড় নোংরা হয়ে যায়। এত কষ্ট আমরা কেন করবো? রাস্তা পাকা মেরামত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অথচ বর্ষা ছাড়াও শুকনো সময়েও চলাচলে দুর্বিষহ। কেউ সাইকেল চালাতে পারে না, মোটরসাইকেল চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ। স্কুলপড়ুয়া শিশু, বৃদ্ধ,বৃদ্ধা, গর্ভবতী নারী, রোগী সবাইকে এই পথে চলাচল করতে হয় রোজ।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই রাস্তা পাকা না করলে গ্রামীণ জনপদের জীবনযাত্রা আরও কষ্টকর হয়ে পড়বে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি, তিন খাতেই এর প্রভাব পড়ছে মারাত্মকভাবে। এখন প্রয়োজন সরকারি জরুরি বরাদ্দ ও উদ্যোগে এই কাঁচা রাস্তাটি পাকা করা।


এই বিভাগের আরও খবর

BROWSE BY TAG

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com